নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বি-বাড়িয়া জেলার বিজয় নগর থানার মহেষপুর গ্রামের আমির হোসেন ও মনোয়ারা বেগম দম্পতির মেয়ে সোনিয়া আক্তার (১৪) গত (০৮ই) মে বকাবকি করায় বাড়ী থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। কিন্তু বি বাড়ীয়া জেলা ও বিজয়নগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও সোনিয়ার সন্ধান পায়নি তার পরিবার।
সোনিয়া আক্তার তাদের এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়ে ভুল পথে পরশুরাম উপজেলায় এসে শুক্রবার (২১ মে) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরাঘুরি করে। পরে স্থানীয় গোফরান, হান্নান, সোহাগ উদ্বার করে পরশুরাম মডেল থানার ওসির কাছে হস্তান্তর করেন।
শুক্রবার দুপুর থেকে সোনিয়ার আক্তারের ছবি দিয়ে পরিবারের সন্ধান চাই শিরোনামে বিভিন্ন জন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট করলে বিষয়টি সোনিয়ার পরিবার নজরে আসে। সুনিয়ার পিতা আমির হোসেন শুক্রবার রাতেই বিজয় নগর থেকে পরশুরাম থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং রাত তিনটার দিকে পরশুরাম থানায় এসে ওসি মুঃ খালেদ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করেন। ওসি সোনিয়ার আক্তারের পিতা মাতা পরিচয় নিশ্চিত হয়ে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সংগ্রহ করে সুনিয়া আক্তারকে তার পিতা মাতার হাতে তুলে দেন। এসময় সুনিয়া তার পিতা মাতাকে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। হারানো মেয়েকে খুজে পেয়ে সুনিয়ার পিতা মাতাও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এসময় থানা প্রাঙ্গণে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যে দেখা দেয়।
পরশুরাম থানার ওসি মুঃ খালেদ হোসেন জানান পুলিশ সুনিয়া আক্তার কে তার পিতা মাতার হাতে তুলে দিতে পেরে খুবই আনন্দিত। তিনি জানান সুনিয়া তার পিতা মাতাকে কাছে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি আরো জানান সুনিয়ার পিতা মাতার পরিচয় নিশ্চিত হয়েই পুলিশ তাকে তাদের হাতে তুলে দিয়েছে।






