এম.এইচ.আসিফ : লোকসানের কারণে আট বছর ধরে বন্ধ সুতা উৎপাদনকারী দোস্ত টেক্সটাইল মিল । নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার মূল্যবান যন্ত্রপাতি,তবে বন্ধ থাকলেও প্রতিমাসে সরকারকে শ্রমিক কর্মচারী বেতন দিতে হচ্ছে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
শিল্প মন্ত্রণালয় ও বিটিএমসি উদ্যোগ নিলেই পি,পি,পি এর মাধ্যমে চালু হতে পারে জেলার একমাত্র সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৯৬৪ সালে সদর উপজেলার রানীর হাট এলাকায় সালে একুশ একর জায়গার উপর চালু হয় দোস্ত টেক্সটাইলস। ১৯৬৫ সালে ৩২টি জাপানি মেশিন দিয়ে উৎপাদন শুরু হয় বাণিজ্যিকভাবে।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়।সে সময় প্রতি মাসে কারখানায় উৎপাদন হতো প্রায় আট লাখ কেজি সুতা । কাঁচামালের অভাবে ২০০৮ সালে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় ।
২০১১ সালে আবার উৎপাদন শুরু হলেও লোকসানের কারণে বন্ধ হয়ে যায় এটি । এতে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান লোকশান দাঁড়িয়েছে ৫৬ কোটি টাকা। কিন্তু বন্ধ থাকলেও প্রতি মাসে বেতন দিতে হচ্ছে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা
এদিকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ এর মাধ্যমে মেইলটি আবারও চালুর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক ।
টেক্সটাইল মিলটি চালু হলে কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি জেলার অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা ।






