কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৯,৬০০ পিস বার্মিজ সিগারেটসহ ০১ জন ‘বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগারিক’কে গ্রেফতার
র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র্যাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানকৃত দ্রব্যসামগ্রীসহ চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব ৭ এর টেকনাফ ক্যাম্প গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন পূর্ব সাতঘড়িয়া পাড়া নয়াবাজার এলাকায় কতিপয় চোরাকারবারী মায়ানমার থেকে সংগ্রহকৃত বিপুল পরিমান আমদানী নিষিদ্ধ বার্মিজ সিগারেট ক্রয় বিক্রয় করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং তারিখ ১২১০ ঘটিকার সময় র্যাবের একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী নুর হাসিম (১৯), পিতা- মৃত আবুল শ্যামা, গ্রাম-বালুখালী ক্যাম্প, ব্লক-জি-৩০, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার’কে গ্রেফতার করে। এসময় অপর আসামী জয়নাল আবেদীন (৩৬), পিতা- আলী আহম্মদ, গ্রাম- সাতড়িয়া পাড়া, নয়া বাজার, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার সুকৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীর বসতঘর তল্লাশি করে ৪৯,৬০০ পিস বার্মিজ সিগারেট উদ্ধারসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত আসামী নূর হাসিম (১৯) একজন ‘‘বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার এর নাগরিক’’। গ্রেফতারকৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন কৌশলে উক্ত সিগারেট অবৈধভাবে মায়ানমার থেকে নিয়ে আসে এবং পরবর্তীতে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ০৪ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা। পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামী, উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।






