জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর : ফেনীর ফুলগাজীতে উপজেলা নির্বাহি অফিসার হিসেবে বদলি হয়ে এসেছেন মাত্র বছরখানেক হলো, তিনি এ উপজেলায় যোগদানের পর তাঁর সরকারি বাসভবনের সামনে বিভিন্ন ফল-ফলাদি গাছ রোপণ করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হল সবচেয়ে সুস্বাদু ড্রাগন ফলের গাছের চারা রোপন করার আট মাসের মাথায় ড্রাগন ফল ফলিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি একজন ফলজ বাগান প্রেমী হিসেবে।
এ ব্যাপারে নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন
“আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নের বিষয় ছিলো “বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ” (forestry and environmental science) কিভাবে গাছের পরিচর্যা ও সুষম সার ব্যবহারের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন জাতের ফল উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে আমি সুষম সার ব্যবহার ও পরিচর্যার মধ্যদিয়েই অতি অল্প সময়ে এই সুস্বাদু ফল ড্রাগন উৎপাদন করতে পেরেছি। আমি চাই আমার মত দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যদি স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে মতামত নিয়ে প্রত্যেকের বাড়ির আঙ্গিনায় এমন দেশীয় ফল ও শাকসবজি উৎপাদন করা হয়, তাহলে আমাদের দেশে বাহির থেকে কোন ফল আমদানি করতে হবে না, দেশীয় ফল খাওয়ার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন রোগ ব্যাধি থেকে নিজেকে রক্ষা করা যাবে”
এছাড়া তাঁর বাসার আঙ্গিনায় এবং বাসার ছাদ বাগানে দেশীয় ফল মাল্টা, কমলা, কলা, কুল বারোমাসি বেগুন মরিচ বিভিন্ন প্রজাতির আম সহ বিভিন্ন শাক সবজির চারা রোপন করে নিজেই নিজের এসব খাদ্যের চাহিদা পূরণ করেন এবং অন্যান্য অতিথিদেরকেও পরিবেশন করেছেন।
আমরা এই সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন দৃষ্টান্ত কে অনুসরণ করে প্রত্যেকে প্রত্যেকের বাড়ির আঙ্গিনায় যদি এসব দেশীয় ফল ফলাদি ও শাক সবজি চাষ করে নিজেদের চাহিদা মেটাতে পারি তাহলে বিদেশী কোন ফল আমাদের প্রয়োজন হবে না।






