এম নিজাম উদ্দীন মজুমদার সজিবঃ বাবা মোঃ ফকির আহাম্মদ।পেশায় একজন মাংস দোকানের কর্মচারী।মা মনোয়ারা বেগম একজন গৃহীনি। ২ ভাই ২ বোনের মাধ্যে ইব্রাহীম তৃতীয়। যখন পড়াশুনা করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখে ঠিক তখনই অভাবের তাড়নায় ১৮ বছর বয়সে ইব্রাহীম বাড়ীর পাশে একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ নেয়।অল্প বেতনে কাজ করে পরিবার নিয়ে ভালই কাটছিল ইব্রাহীমের সংগ্রামী জীবন।কিন্তু এক বছরের মাথায় ইব্রাহীমের শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে মরন ব্যাধি। ধীরে ধীরে অসুস্থ্যতার দিকে ঢলে পরে।ইব্রাহীমের বাবা মোঃ ফকির আহাম্মদ জানান ২০০৩ সালে মিরসরাই উপজেলার ব্রাম্মন সুন্দর দারোগার হাট ইউনিয়ন থেকে ১ নং করের হাট ইউনিয়নের দক্ষিন অলি নগর গ্রামে সরকারের আশ্রায়ন প্রকল্পে এসে বসবাস শুরু করে। এরপর তিনি মাংস দোকানে কাজ করে কোন রকমে অভাবের সংসার চালান। চার সন্তানের মাঝে তৃতীয় সন্তান ইব্রাহীমকে পড়াশুনা বন্ধ করে দিয়ে স্থানীয় একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ দেয়।বাবা ছেলের আয়ে সুন্দর ভাবেই চলছিল অভাবের সংসার। গত ২০১৬ সালে ইব্রাহীমের মাথার ডান পাশ লাল বর্ন হয়ে যায়।ধীরে ধীরে মাথা ফুলতে শুরু করে এবং এক পর্যায়ে মাথার উপরি অংশ ফেটে গিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। এ অবস্থায় প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে শেভরন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে নিয়ে আসে।অবস্থার অবনতি হলে আবারও শেভরন ও সর্বশেষ চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে দুই দিন ভর্তি থাকার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।চিকিৎসকরা জানান তার উন্নত চিকিৎসার জন্য এই মুহুর্তে তিন লক্ষ টাকার প্রয়োজন। ইব্রাহীমের মা মনোয়ারা মনোয়ারা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান ছেলের উন্নত চিকিৎসার জন্য এই মুহুর্তে ৩ লক্ষ টাকার প্রয়োজন কিন্তু নুন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা এমন দরিদ্র পরিবার কিভাবে এত টাকা জোগাড় করবে? সেজন্য তিনি সমাজের বিত্তবানসহ সকল হৃদয়বান ব্যক্তির কাছে সাহায্যের আবেদন জানান।ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত ইব্রাহীমকে সাহায্য পাঠাতে চাইলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন (বিকাশ নং- ০১৮২৯৩৩৪৪৭৪)।




