নিজস্ব প্রতিবেদক : ফেনী মডেল থানার এ.এস.আই মোঃ আলমগীর হোসেন, গত ১৯ এপ্রিল ফেনী জেলার মডেল থানাধীন মধ্যম চাড়ীপুর গ্রামের আঃ আহাদ নামে এক ব্যক্তিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেছেন বলে জানা গেছে। পরে এসপির নির্দেশে কিছু টাকা ফেরত দিয়েছে আলমগীর হোসেন।
এলাকাবাসী ও ক্ষতি গ্রস্তপরিবার সূত্র জানায়, রবিবার সকালে শহরের চাঁড়িপুর এলাকার মাজারিয়া মসজিদ সংলগ্ন আহাদ মিয়া দু’জন শ্রমিক দিয়ে বাড়ি পরিচ্ছন্ন করছিলেন। টহলরত এএসআই আলমগীর হোসেন তাকে ডেকে শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর জন্য শাসিয়েছেন। একপর্যায়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার হুমকি-ধমকি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। আহাদ মিয়া তাৎক্ষনিক ২০ হাজার টাকা দিয়ে ক্ষমা চান। বৃদ্ধার নিকট জনরা বিষয়টি এক সাংবাদিকদক নেতাকে জানান। সাংবাদিক নেতার পরামর্শে আহাদ মিয়ার ভাতিজা আবদুল কাইয়ুম ফাহাদ সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরূন্নবীকে অবহিত করেন।
পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সমাধানের জন্য মডেল থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেনকে নির্দেশ দেন এসপি নূরুন্নবী। ঘটনার সত্যতা পেয়ে রাতেই আহাদ মিয়াকে থানায় ডেকে নেন ওসি। এসময় ১০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে ক্ষমা চান এএসআই আলমগীর।
অাবদুল কাইয়ুম ফাহাদ টাকা ফেরতপ্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি রাতে থানায় সুরাহা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার জানান, “বিষয়টি উর্ধতন অফিসারের নজরে আসলে এ.এস.আই (নিঃ) আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার পূর্বক পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। তাকে ইতোমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত পূর্বক তাহার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বাহিনীর ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হবে এমন কোন কাজ যদি কোন পুলিশ সদস্য করে তাকে বিন্দু মাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। কোন পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত অপকর্মের দায়ভারও পুলিশ বাহিনী বহন করবে না।”






