জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর : সোমবার সকাল ১০ টায় ফুলগাজী উপজেলার বন্দুয়া দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পরে ছাত্র ছাত্রীরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করার সাথে সাথেই সেখান থেকে নবম শ্রেণীর একজন ছাত্রী হঠাৎ করে মাথা ঘুরে পড়ে যায়, তার দেখ দেখায় সপ্তম শ্রেণী, অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীদের কয়েকজন একাধারে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে।
(প্রতীকী ছবি)
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল হক মজুমদার ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম কে ফোনে অবগত করেন
এরপর ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খবর দিলে সেখান থেকে ডাক্তার শরফুদ্দিন মাহমুদ এসে তাৎক্ষণিক সময় অজ্ঞান হওয়া ৮ জন ছাত্রীকে ফেনী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন ।
তাৎক্ষণিক সময় ঘটনাস্থলে আসেন সহকারী কমিশনার ভূমি সাবিনা ইয়াসমিন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ এনামুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেহানা আক্তার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
ডাক্তার শরফুদ্দিনের সাথে আলাপ করলে তিনি জানান এটি একটি “ম্যাস হিস্টরিয়া ” রোগ হতে পারে, এমন ধরনের রোগ হলে বিশেষ করে ছাত্রীরা হঠাৎ করে মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে পড়ে, কোন মানসিক ও আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এমন ধরনের রোগ হতে পারে ।
অজ্ঞান হওয়া ছাত্রীরা হল ,সাবরিনা আক্তার অষ্টম শ্রেণি ,শামীমা আক্তার নবম শ্রেণী ,রাজিয়া সুলতানা ,নাজিফা আক্তার, সায়রা আক্তার,তানিয়া আক্তার, উম্মে সুমাইয়া, নাহিদা আক্তার এরা সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী ।
তাদেরকে ফেনী সদর হাসপাতালে স্যালাইন দিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পর তাদের জ্ঞান ফিরে আসলে সুস্থ হওয়ার পর তাদের অভিভাবকের কাছে দিয়ে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্থানীয় প্রশাসন ধারণা করছেন এ বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের পেছনে ময়লা আবর্জনার একটি ডোবা ও ঝোপ জঙ্গল এর সামনে একটি টিনশেড ঘর থাকার কারণে পর্যাপ্ত পরিমান আলো বাতাস প্রবেশ করতে না পারার কারণেই হয়তো এমন ধরনের সমস্যা হতে পারে।
এছাড়া স্থানীয় এ বিদ্যালয় এর একজন ছাত্রীর অভিভাবক ওয়াজিউল্লাহ পোদ্দার জানান স্কুল ছুটির পর এ ভবন এর সামনে কিছু মাদক সেবনকারীরা গাজা ও মাদকদ্রব্য নিয়মিত সেবন করে থাকে এই কারণেও এর পরিবেশ গত ভাবে এমনটাই হতে পারে।






