ফুলগাজী প্রতিনিধি : ফুলগাজীতে সংখ্যালঘু তিন পরিবারের নয় সদস্যকে অচেতন করে নগদ টাকা ও স্বর্ণলুট করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন আক্রান্তদের উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এ ঘটনায় ফেনীর পুলিশ সুপার ( এসপি) কাজী মনিরুজ্জামান ও ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কুতুব উদ্দীন বুধবার ২২ মে রাত সাড়ে দশটার দিকে হাসপাতালে তাদের দেখতে যান এবং আক্রান্তদের খোঁজ খবর নেন। ওসি বলেন, এঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি।
তিন পরিবারের অজ্ঞান হওয়া নয় সদস্যরা হলেন, শংকর পাল (৬০), তাঁর স্ত্রী লক্ষী রানী পাল (৪০), বাবুল পাল (৫৫), তাঁর স্ত্রী উজ্জলা রানী পাল (৪০), নিতেন্দ্র পাল (৭৫), তাঁর ছেলে প্রদীপ (৫০), তাঁর স্ত্রী দীপ্তি রানী পাল (৩৫), একাদশ শ্রেনী পড়–য়া তাদের মেয়ে তিশা পাল ও ৫ম শ্রেনী পড়ুয়া তুশী পাল। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে দশটার সময় উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কুতুব উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কিভাবে তাদের অজ্ঞান করা হয়েছে তা এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের নিতেন্দ্র পাল ও তাঁর স্ত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয়রা প্রথমে ষ্ট্রোক করেছ বলে মনে করে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু বুধবার সকালে পাশের বাড়ির একই পরিবারের ৫জনসহ মোট সাত জনকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়। আক্রান্তদের সবাইকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় দরবার পুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য বলরাম ঘোষ জানান, অচেতন শংকর পালের ঘর থেকে ৩ ভরি স্বর্নলংকার এবং নগদ ৪০ হাজার টাকা ও বাবুল পালের ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকা ও একজোড়া কানের দুল নিয়ে যায়।
ফেনী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) মো. আবু তাহের জানান, আক্রান্তরা স্প্রে জাতীয় কোন গ্যাসের কারণে অচেতন হয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।






