আবু ইউসুফ মিন্টু: পরশুরামে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর দায়ের করা পর্নোগ্রাফি মামলায় উপজেলার পূর্বসাহেব নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জহিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে করেছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জহিরুল ইসলামকে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।
জহিরুল ইসলাম পরশুরাম উপজেলার পূর্ব সাহেব নগর গ্রামের মৃত আবদুল করিম মজুমদারের ছেলে। সে পূর্বসাহেব নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
মামলার এজহার সুত্রে জানা গেছে একই উপজেলার বাসিন্দা ও ঢাকা ইডেন কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের জৈনেক শিক্ষার্থীকে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ভাবে বিয়ে করেন জহিরুল ইসলাম। বিয়ের পর দিন ২৬ জানুয়ারি জহিরুল ইসলাম তাঁর বড় ভাইয়ের স্ত্রীর কাছে নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ইমু এর মাধ্যমে বাসর রাতের বিষয় আপত্তিকর ম্যাসেজ আদান প্রদান করেন।
ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মার্চ তাঁদের দুজনক আপত্তিকর ভাবে দেখতে পায়। দেবর ভাবির সম্পর্কের বিষয় ফাঁস না করতে গত ১৮ মার্চ তারিখে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে জোর পুর্বক অশ্লিল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকী দেয়। এই অভিযোগে ওই ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ৮(১), ৮(২)-২০১২ ধারায় স্বামী জহিরুল ইসলাম ও তার ভাবীর বিরুদ্বে পরশুরাম থনাায় (১৫ এপ্রিল) একটি মামলা দায়ের করেন।
পরশুরাম থানার পুলিশ ওই দিন রাতে তাকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) জহিরুল ইসলামকে জেল হাজতে প্রেরন করলে বুধবার (১৭ এপ্রিল) জহিরুল ইসলামের আইনজীবিরা তার জামিনের আবেদন করলে আদালতে তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।
বিবাদী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম জানান সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে স্কুল শিক্ষক জহিরুল ইসলামের বিরুদ্বে তার স্ত্রী একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।






