পরশুরাম ফেনী প্রতিনিধি: ফেনীর পরশুরামে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) নু এমং মারমা মং কে দুর্নীতি দমন কমিশণ (দুদুক) কর্মকর্তা পরিচয়ে দিয়ে মোবাইল ফোনে চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগে মো শামীম (২৮) নামের এক প্রতারক কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুদিনের জেল ও ৫শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ডিসেম্বর) দুপুরে প্রতারক শামীমকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা শেষে পরশুরাম থানা পুলিশের হাতে সপোর্ধ করা হয়েছে। পুলিশ শামীম কে জেল হাজতে প্রেরন করে। শামীম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের চম্পক নগর গ্রামের মো আবুল কাশেমের ছেলে। উপজেলা ভুমি অফিস থেকে জানা যায়, শামীমের পিতা মো আবুল কাশেম চম্পক নগর মৌজায় জমা খারিজ খতিয়ানের জন্য উপজেলা ভুমি অফিসে একটি আবেদন করে। জমা খারিজ খতিয়ান দ্রুত আদায় করতে অসৎ উদ্দেশে প্রতারক শামীম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) নু এমং মারমা মং এর সরকারি নম্বরে মোবাইল ফোনে দুদুক কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মো আবুল কাশেমের জমা খারিজের খতিয়ান দ্রুত সময়ে সম্পন্ন করে দেওযার জন্য গত সোমবার মুঠোফোনে চাপ প্রয়োগ করে। দুদুক কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বেআইনি তদবির করায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) নু এমং মারমা মং এর সন্দেহ হওয়ায় তিনি দুদুকের উর্ধদতন কতৃপক্ষের সাথে শামীমের বিষয় খোঁজ খবর নেয়, এতে দুদুক কার্যালয়ে শামীম নামের কোন দুদুকের কর্মকর্তা নেই বলে দুদুক কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়।
পরশুরাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মঙ্গলবার কৌশলে ভুয়া দুদুক কর্মকর্তা শামীমকে উপজেলা ভুমি অফিসে আসতে আমন্ত্রন জানালে মঙ্গলবার দুপুরে তার পিতা মো আবুল কাশেম সহ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কার্যালয়ে হাজির হয়ে অপরাধ স্বীকার করেন। পরশুরাম উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুয়া দুদুক কর্মকর্তাকে ২দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৫০০টাকা জরিমানা করে। পরশুরাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) নু এমং মারমা মং জানান শামীম অসৎ উদ্দেশ্যে বেআইনি ভাবে জমা খারিজ খতিয়ান আদায় করতে দুদুক কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মুঠোফোনে তদবীর করে। প্রতারক শামীম দোষ স্বীকার করায় তাকে দুইদিনের জেল ও ৫শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।






