নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত ১৭টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রবিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার বক্সমাহমুদ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দীর্ঘ সাড়ে তিনঘন্টা ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট প্রচেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কিভাবে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে তা বলতে পারেনি কেউ। এঘটনায় অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ফায়ার সার্ভিস ও ব্যবসায়ীরা জানান, রবিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বক্সমাহমুদ বাজারে আগুন দেখতে পায় স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে প্রথমে পরশুরাম ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট পরে আগুনের ভয়াবহতা দেখে ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী থেকে আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। দীর্ঘ সাড়ে তিনঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ১৭টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আবুল কালাম নামের এক ব্যবসায়ী জানান, অগ্নিকান্ডে মামুন মেম্বারের দোকান, রুমনের বাহার ফার্মেসি, কালুর ধান দোকান, জসিম পাটোয়ারির দোকান, রতন ডাক্তারের ফার্মেসি, ছতু মিয়ার ফার্নিচার দোকান, কাদেরের মুদি দোকান, খায়েরের মুদি দোকান, তাপসের মুদি দোকান, রাজুর মুদি দোকান, কবির সওদাগরের মুদি দোকান, আদি নারায়ন স্বর্ণ দোকান, সুনিলের মুদি দোকান, রফিকের পান দোকান, অহিদ মাষ্টারের কাপড় দোকান ও ভৌমিক ফার্মেসীসহ ১৭টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
বক্সমাহমুদ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নুরুল আলম কালাচান জানান, এমনিতেই লকডাউন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ী দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে। তার উপর আগ্নিকান্ডের ক্ষতিতে তারা এখন পাগলপারা। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
পরশুরাম ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ নারু কুমার চৌধুরী জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। সিগারেটের আগুন অথবা কয়েলের আগুন থেকে ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে। পুড়ে যাওয়া ১৭টি দোকানে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয় বক্সমাহমুদ ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে আমি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য প্রশাসন কে অবহিত করেছি।





