বিশেষ প্রতিনিধি : ফেনী শহরের ১৩নং ওয়ার্ডের মিয়াজী বাড়ী সড়কের জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ে রবিবার বিকালে হামলা-ভাংচুর করেছে মহিউদ্দিন দিদার নামের এক আওয়ামীলীগ নেতা সহ কয়েকজন সহযোগি।
ঘটনা জেনে জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির নির্দেশে তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভিয়েতনাম যেতে ভগ্নিপতি পরিচয়ে এক ব্যক্তির ফ্রিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার সুপারিশ করতে রবিবার দুপুরে জনশক্তি অফিসে যান জেলা আওয়ামীলীগের সদ্য সাবেক কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক ও জেলা কাজী সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন দিদার। জেলা কার্যালয়ে সুযোগ না থাকায় সহকারি পরিচালক মো: নিজাম উদ্দিন প্রিঙ্গার প্রিন্ট হবেনা বলে জানিয়ে দেন। তবুও দিদার বারবার চাপ প্রয়োগ করেন। এতেও সহকারি পরিচালক সায় না দেয়ায় দিদার উত্তেজিত হয়ে টেবিল ভাংচুর করেন। টেলিফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। একপর্যায়ে সহকারি পরিচালককে কিল-ঘুষি দেন।
বিষয়টি ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীকে অবহিত করা হলে তার নির্দেশে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচরীরা একত্রিত হয়ে দিদার ও তার তিন সহযোগি সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা উত্তর সহদেবপুর এলাকার আশ্রাফুল্লাহ রাসেল, সোনাগাজীর বগাদানা ইউনিয়নের আউরারখিল গ্রামের জসিম উদ্দিন, একই উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। সহকারি পরিচালক নিজাম উদ্দিন জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় উল্লেখিতদের আসামী করা হয়েছে।
ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ জনশক্তি অফিসে হামলার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে সরকারি কর্তব্যকাজে বাধা, ভাংচুর ও মারধরের ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।






