নিজস্ব প্রতিনিধিঃ-ফেনীতে চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২০ দিনে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫শ ৭৪ জন।যা গত তিন মাসে শনাক্তের সংখ্যার তুলনায় প্রায় দেড়গুন বেশি।
করোনার বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় ফেনীকে উচ্চ ঝুঁকি সম্পন্ন জেলা ঘোষণা করা হলেও লকডাউন দিনদিন কার্যকারিতা হারাতে বসেছে।ফলে গণসংক্রমের আশংকা বেড়েই চলেছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ১৬ এপ্রিল ফেনী জেলায় প্রথম একজন রোগীর করোনা শনাক্ত হয়।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাড়ে ৮ মাসে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয় ২ হাজার ২শ ২৭জনের।
২০২১ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে রোগী সনাক্ত হয় ৩শ ৭৪ জন।
১ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ২ হাজার ৮শ ৩১ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ৫শ ৭৪ জনের শরীরে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়।এপ্রিলে শনাক্তের হার ২০.২৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত সুস্থ্য হয়েছেন ২ হাজার ৪১০ জন রোগী।বর্তমানে ৭২৬ জন রোগী স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জেলায় মোট শনাক্ত ৩ হাজার ১৭৫ জনের মধ্যে সদরে রয়েছেন ১৪১৮ জন, দাগনভূঞায় ৫৩৮, ফুলগাজীতে ১৭৯, ছাগলনাইয়ায় ৪৩২, সোনাগাজীতে ৩৬৪, পরশুরামে ২০৮ জন।অন্য জেলা থেকে এখানে এসে নমুনা দিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ জন।
সূত্র আরো জানায়, গত তিন মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসের ২০ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।
ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নূরুন্নবী জানান, কোভিড পরিস্থিতি পুলিশের একার পক্ষে সামাল দেয়া সম্ভব নয়। প্রশাসন, ডাক্তার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাই সম্মিলিতভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। গত এক বছর ধরে মানুষ কোভিড পরিস্থিতি দেখে-শুনে অভ্যস্ত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মানুষকে বোঝাতে চেষ্টা করছে।
জানতে চাইলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক ও জেলা প্রশাসক মো: ওয়াহিদুজজামান বলেন, জরুরী প্রয়োজনে মাস্ক পরে বাসার বাইরে যাওয়া, বাসায় ফিরে হাত ধোয়া সহ স্বাস্থ্য বিধি মানতে পারলে সবাই ভালো থাকবো। দেশে করোনা সংক্রমণ কয়েকগুন বেড়ে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে লকডাউনের কারনে কমতে শুরু করেছে। সরকারের নিদের্শনা তথা স্বাস্

