নিজস্ব প্রতিনিধি : ফেনীতে নতুন করে দুই দফায় একদিনে ৩১ শরীরে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো ৬১ জনে। শনিবার রাতে ফেনী স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সমন্বয়ক ডা. শরফুদ্দিন মাহমুদ।
তিনি আরো জানান, শনিবার রাতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম দফায় ২১ জনের ও পরের দফায় আরো ১০ জনের করোনা প্রজেটিভের প্রতিবেদন আসে। এ দিন নোয়াখালী আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ২জন ও চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতাল থেকে ২৩ জনের প্রতিবেদন আসলেও তাদের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায় নি।
ফেনী স্বাস্থ্য বিভাগ আরো জানায়, এদের মধ্যে ফেনী সদরে ৩ জন, দাগনভূঞয়া ১ জন, সোনাগাজীতে ৪ জন ও ফুলগাজীতে ২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্যকর্মী, দাগনভূঞা থানার পুলিশ সদস্য রয়েছেন। বাকী ৭ জনের মধ্যে ফেনী শহরের বনানীপাড়া, আলীম উদ্দিন রোড, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিজয়সিংজ এলাকা, সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ১ জন ও বাকী ৩ জন একই উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা।
সূত্র আরো জানায়, জেলায় শনিবার পর্যন্ত ৯শ ৪৯জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ও নোয়াখালী আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৭শ’ ৮৩ জনের ফলাফল আসে।
ফেনীতে চিকিৎসকসহ এখন পর্যন্ত ৬১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ফেনী সদরের ২২ জন, ছাগলনাইয়ায় ১৩ জন, দাগভূঞায় ৯ জন, সোনাগাজীতে ৬ জন, ফুলগাজীতে ৪ জন, পরশুরামে ৪ জন ও অন্যান্য আরো ৩ জনের শরীরে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।






