নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত বছরের শুরুতেই বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লেও মার্চ মাসের দিকে বাংলাদেশে ব্যাপক আক্রান্ত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সে ধারাবাহিকতায় সরকারকর্তৃক লকডাউন ঘোষণা করা হয়। বছরের শেষ অংশে করোনার আক্রান্তের হার কিছুটা কমে গেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে সাধারণ মানুষ।
কিন্তু ২০২১ এর মার্চে আবারও করোনার আক্রমণ এবং মৃত্যুহার অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। সরকার আবারও সিদ্ধান্ত নেয় লকডাউনের, এবং ৭ দিনের লকডাউন দিয়েছে সরকার।
সারাদেশের উচ্চ সংক্রমণ জেলা গুলোর তালিকায় আছে ফেনী জেলা। ফেনীতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
লকডাউনের তৃতীয় দিন চললেও ফুলগাজীতে মানছেন না কেউই সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি অথবা লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা। লকডাউনের প্রথম দুদিন দেখা যায়নি প্রশাসনের তেমন কোনো কর্মতৎপরতা।
ফেনীর উপজেলাগুলোর মধ্যে আক্রান্তের দিক দিয়ে অন্যতম ফুলগাজী উপজেলা। এই পর্যন্ত উপজেলা জুড়ে মোট আক্রান্ত ১৬৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১৫৬জন বাকী ০৮ জন হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন এমন তথ্য নিশ্চিত করেন ফুলগাজী উপজেলার স্বাস্থ্য বিভাগ।
ফুলগাজী উপজেলার প্রত্যকটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় লকডাউনের চিত্র ঢিলেঢালা।
ফুলগাজী বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হোটেল রেস্টুরেন্টসহ বাজারের সকল ধরনের দোকানপাট সকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্ত খোলা রয়েছে।
এই বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা নাসরিন কান্তা জানান, বুধবার বিকেলে ফুলগাজী বাজারে সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরিধানে উদ্বুদ্ধ করা এবং জনসচেতনতায় মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।
এসময় তিনি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী বিকাল ৪ টার মধ্যে সকল ধরনের দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন।
উপজেলা নির্বাহি অফিসার জানান, সকালে ফুলগাজীর জিএমহাট ও বকশিবাজারে স্বাস্থ্য নির্দেশনা না মানায় ও মাস্ক পরিধান না করায় ১৭ জনকে ১৬৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।






