সাহাব উদ্দিন : ফুলগাজীতে ঘন ঘন লোডশেড়িং ও বিদুৎ বিপর্যয়ের কারণে জনজীবন হয়ে উঠেছে অতিষ্ঠ। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারনে গরমে বাড়ছে ভোগান্তি! এতে ব্যহত হচ্ছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন কল কারখানা। অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও লোডশেড়িংয়ে শিশু ও বৃদ্ধাদের বাড়ছে নানান সমস্যা।
ফেনীতে গত কয়েকদিনে দেশের সর্বচ্চো তাপমাত্রা রেকর্ড করে বলে জানাযায়। তার ওপরে চলছে ফুলগাজীতে ভয়াবহ বিদ্যুতের লোড়শেডিং। জনজীবন যেন একেবারে নাভিস্বাস।
বাজারের একজন ব্যবসায়ী সন্জীব বনিক জানান, দিনে চার থেক পাঁচ ঘন্টা বিদ্যুৎ ভেঙে ভেঙে মিললেও তা শরীরের ঘাম শুকানোর আগেই চলে যায়। তবে বিদ্যুতের এত ঘন ঘন লোড়শেড়িংয়ের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ।
ফুলগাজী বাজারে সড়কের পাশেই চা বিক্রি করেন আবদুল গনি। তিনি বলেন, যে তাপমাত্রা তার ওপর লোডশেড়িং চা বিক্রি দুরে থাক খালি গায়েও দাড়ানোর উপায় নেই। তবে এভাবে চলতে থাকলে রুটি রোজগার কিভাবে চলবে তা নিয়ে তিনি চিন্তিত ।
ফুলগাজী উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা ঘন ঘন লোড়শেড়িংয়ের বিষয়টি মানতে নারাজ। গ্রাহকেরা মনে করেন দেশে স্বয়ংসম্পূর্ণ বিদ্যুৎ থাকা সত্ত্বেও কেন এতো ভয়াবহ লোড়শেড়িং হবে। তাদের দাবি এখানেই কোন কতৃপক্ষের কারসাজি রয়েছে।
দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ফুলগাজী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো.আবুল কাশেম বলেন, উপজেলার ৬টি বিদ্যুৎ লাইনে ৮ মেঘাওয়ার্ড বিদুৎ চাহিদা থাকলেও সেক্ষেত্রে ৪ মেঘাওয়ার্ড বিদ্যুৎ মিললেও বর্তমানে জাতীয় গ্রীড় থেকে তা একেবারে শুন্যের কোটায় নেমে এসেছে।
তিনি আরও জানান কুমিল্লা টু ফেনী লাইন ওভার লোড়ের কারনে তা জাতীয় গ্রীড় থেকে অটো বন্ধ করে দেন, যাহা আমাদের কিছুই করার থাকেনা। তবে আগামী ২/১ দিনে বৃষ্টি পাত হলে লোড়শেড়িং কিছুটা হয়তো কমে আসতে পারে।






