: নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলার মতো এমন হামলা করতে অনুপ্রাণিত করে PUBG গেমস। কারণ যে ব্যক্তি গুলি করছিল সে মাথায় হেলমেট এ ক্যামেরা লাগিয়ে ফেসবুকে লাইভ তা সম্প্রচার করে এবং সেখানে দেখা যায় Third Party Shooting গেমস গুলোর মত করে ভিডিওটি উপস্থাপন করতে।
যারা PUBG এবং Free Fire খেলেছেন তারা যদি ভিডিও টি দেখেন তবে বুঝতে পারবেন সে এই ভিডিও টা PUBG স্টাইলে করেছে।
বাংলাদেশে PUBG এবং Free Fire এর মত গেমস গুলো বন্ধ করে দেওয়া হোক যার উদাহরন হিসাবে মসজিদে নৃশংস হত্যাকান্ড ধরা যায়।
এখন আমার মতামত হলো ঐ ব্যক্তি PUBG অথবা Free Fire এর মত গেমস গুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই কাজ করেছে।
খবর এবং নিউজ পেপার যাই বলুক না কেন দেখা যাবে সে ভার্চুয়াল জগতে এগুলো করে আনন্দ পাচ্ছিল না তাই রিয়েল লাইফে এই কাজ করে বসে।
আমার পয়েন্ট হচ্ছে এই যে যদি এরকম গেমস বাচ্চারা খেলতে খেলতে বড় হয় তবে তাদের গনহত্যা করতে কোন ট্রেনিং প্রয়োজন পড়বেনা কারণ গেমস টি এর থেকেও বড় ট্রেনিং এর আয়োজন করে রেখেছে।
গেমসগুলো সম্পর্কে বলি “এখানে একসাথে ১০০ জন খেলোয়ার কে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয় যে সবাইকে মেরে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবে সেই হবে জয়ী” তাহলে এই গেমস টি আমাদের শিক্ষা দিচ্ছে বাচতে হলে মারতে হবে।
তাই আমাদের এখন থেকে হুশিয়ার হওয়া উচিৎ এবং বাংলাদেশ নয় শুধু সবদেশে এই গেমস গুলো Banned করা হোক।
খুজে পাচ্ছিনা কি বলবো আমার মুসলিম ভাইদের উদ্দেশ্যে যারা মসজিদে ইবাদত করতে এসে মারা গিয়েছে আল্লাহ তাদের বেহেশত নসীব করুন।
আর ভাই এই হত্যাকান্ড দেখে কেউ মসজিদে যাওয়া বন্ধ করবেন না যেন আল্লাহ সব কিছু দেখেন সেই তার বান্দাদের দেখবেন এবং উচিৎ বিচার করবেন।
আর যদি আপনি মুসলিম হয়েও মসজিদে না গিয়ে ঘরে বসে থাকেন ভয়ে তবে কাফের রা জয়ী হয়ে যাবে তাদের লক্ষ্যে আর আমরা তা হতে দিতে পারিনা।
#সবশেষে মুসলিম ভাইয়ারা নিজেদের ভিতর শত্রুতা করোনা যদি কিছু করতেই হয় তবে আসো সবাই মিলে কাফেরদের রুখে দাড়াই। সবাই একত্রিত হয়ে আওয়াজ তুলুন আর দেখুন কি হয় কেউ টিকে থাকতে পারবেনা আমাদের সামনে তা একটি দেশ হোক নয়তোবা মহাদেশ ।
পোস্টে যদি কোন কিছু ভুল লিখে থাকি তবে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
একজন গেমার হিসাবে নয় একজন মুসলিম হিসাবে ভেবে দেখবেন নেগেটিভ মতামত জানানোর আগে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
© ইসমাইল হোসেন সৌরভ



