ডেস্ক রিপোর্টঃ বিভিন্ন পৌর মেয়ররা নির্বাচন না করার জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করলেও, তাদের আবদার রাখছে না সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। চলতি বছরের ডিসেম্বরে সারা দেশে পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নতুন বছরের মার্চে ইউপি নির্বাচন।
কমিশন বলছে, করোনার কারণে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। নির্বাচন উপযোগী ২৫৯টি পৌরসভায় সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে কমিশন বলছে, আগামী মার্চ থেকে শুরু হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশের বেশিরভাগ পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। স্থানীয় সরকার আইন, অনুযায়ী, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হবে। ফলে অক্টোবর থেকে পৌরসভাগুলো নির্বাচন উপযোগী হয়েছে কিংবা হবে।
পৌরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এরইমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় পৌরসভার হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ করেছে। সেই হালনাগাদ তথ্যে দেখা যাচ্ছে ২৫৯টি পৌরসভার নির্বাচন করার উপযোগী হয়েছে। এদিকে করোনার কারণ দেখিয়ে বিভিন্ন পৌর মেয়র প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার কাছে ভোট না করার জন্য চিঠি দিয়েছেন।
করোনার দংশনে আরও ১৬ জনের প্রাণহানি, নতুন আক্রান্ত ৯৩০
দুর্যোগের সময়ে নির্বাচন আয়োজন না করার জন্য অনুরোধ জানান তারা। তবে কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেছেন, যথাসময়ে নির্বাচন হবে। চলতি বছরের শেষে পৌরসভা নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন। তবে যদি কোন কারণে না করতে পারলে আগামী বছরের শুরুতেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় ইসি।
আগামী ২ নভেম্বর পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসবে। এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেছেন, এবারও ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন হবে এবং তা যথসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করে ৩০ ডিসেম্বর দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ করা হয়।






