এম নিজাম উদ্দিন মজুমদার সজিবঃ
গতকাল ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাগলনাইয়ায় আওয়ামীলীগের দুগ্রুপের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪জন আহত হয়েছে।
আহতদের ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সংর্ঘষের পর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষে ঘোপাল ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম আজিজুল হক মানিক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন, দুর্গাপুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, বাঁশপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য একরামুল হক আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলের অনুগত ঘোপাল ইউপি চেয়ারম্যান এফএম আজিজুল হক মানিক এবং ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এনামুল হক মজুমদারের অনুগত যুবলীগ নেতা নুর নবীর মাঝে বৃহস্পতিবার দুপুরে কথা কাটা কাটি হয়। পরে আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে মানিক ও নুর নবীর মাঝে মনমালিন্য মিমাংসা করে দেয়া হয়। এফ এম আজিজুল হক মানিক অভিযোগ করে বলেন, তিনি বাড়ী ফেরার পথে পৌর শহরের জিরো পয়েন্টে এনাম মজুমদারসহ তার সমর্থকরা মানিকের উপর হামলা চালায়।
এসময় চেয়ারম্যানকে রক্ষা করতে এসে আরো তিনজন আহত হন। উপস্থিত লোকজন তাদের উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
ছাগলনাইয়া হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ শারমীন জানান, প্রত্যেকের মাথায় একাধিক সেলাই দেয়া হয়েছে।
ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান এনামের নেতৃত্বে বিএনপি জামায়াতের কর্মীরা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও চেয়ারম্যানের উপর হামলা চালিয়েছে। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দ্রা ও হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, এখানে আওয়ালীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ নয় যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তবে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এনাম মজুমদার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ হামলার সঙ্গে আমি কোনভাবেই জড়িত নই। ভুলবুঝাবুঝি থেকে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান, দুগ্রুপের মাঝে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তারা আবার নিজেরা মিটমাট করে নিয়েছে। এঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন অবনতি না ঘটে সেজন্য পৌরশহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েত রয়েছে।






