মোঃ ইউনুছ ভূঞাঁ সুজন : ফেনীর ফুলগাজী দক্ষিন করইয়া হতদরিদ্র গরীব বীর মুক্তিযুদ্ধা কাজী আজিজুুর রহমান(৬৬)।
গত ২বছর থেকে বিনা চিকিৎসা মৃত্যুর দিকে দাবিত দেখার কেউ নেই। তাঁর মুক্তিযোদ্ধা বিষায়ক সাময়িক সনদপত্র নাম্বার ম-৪৯৩৪,মুক্তিযুদ্ধা সম্মানী ভাতা বহি নাম্বার-১০৪, রাষ্টীয় যে সম্মানী ভাতা পায় তা দিয়ে পরিবারের ৫ছেলে ও ৩মেয়ে কে নিয়ে অনেক কষ্টে চলে তাঁর জীবন। এমন্তবস্থায় তাঁর চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তাঁর পরিবারের জন্য কষ্ট সাথ্য হয়ে পড়েছে।
স্বাধীনতার প্রায় ৪৯বছর পরও যদি বিনা চিকিৎসায় একজন হতদরিদ্র বীর মুক্তীযুদ্ধা মারা যাবে এটা লজ্জা জনক।
গত ১১-৬-২০১৯ রোজ মোঙ্গলবার রাত ৭-৮টার তাঁর অবস্থার অবনতী হলে তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে রাত ৭-৮টার ভর্তির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তুু জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার হতদরিদ্র বীর মুক্তিযুদ্ধাকে ভর্তি না নিয়ে তাৎক্ষনিক ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম নিয়ে যেতে পরামর্শ দেন। যেখানে তাঁর ৫ছেলে ৩মেয়ের সংসার চালাতে প্রতিনিহিত হিমশীম খেতে হয়। সেক্ষেত্রে তাঁর পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয়। জীবন বাঁচানোর তাগিদে গত মোঙ্গলবার সদর হাসপালে ভর্তি না নেওয়াতে ফেনী কসমোপলিটিন হাসপাতালে তাৎক্ষনিক ভর্তি করায় তাঁর পরিবার।
এদিকে গত ১৩-০৬-২০১৯ বৃহস্প্রতিবার ফুলগাজী সমাজ সেবা অফিসার আলমগীর হোসেন মজুমদার আসার কথা থাকলেও সে জানায় কর্মব্যস্ততার কারনে আশা হয়নি।।
ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান তিনি বর্তমানে ফেনী ডিসি অফিসে রয়েছেন তবে তিনি সমাজ সেবা অফিসার কে বিষয়টি দেখতে বলেন। তিনি আরো জানান বীর মুক্তিযুদ্ধাকে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করাতে বলেন তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। ফেনী সদর হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসকের এমন কর্মকান্ডে তিনি বলেন কোন সুযোগ নেই যে একজন মুক্তিযুদ্ধাকে ভর্তে না নিয়ে অন্যদিকে চলে যেতে বলা।
ফেনী জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াতুনজ্জামের কাছে ফেনী সদর হাসপাতালের অসহায় হতদরিদ্র বীর মুক্তিযুদ্ধাকে ভর্তি নেওয়া হলোনা কেন এবিষয়ে জানতে তাঁর মুঠো ফোনে একাদিক বার যোগাযোগ করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে এব্যাপারে জানতে চাইলে ফেনী জেলা প্রশাসক জানান, তিনি উক্তবিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি উক্ত প্রতিবেদক সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পারলেন। তিনি জরুরী কাজে ব্যস্ত থাকায় বীর মুক্তিযুদ্ধা কাজী আজিজুর রহমান’র পরিবারকে আজ রবিবার বেলা ১-২টার ভিতর জেলা প্রশাসক অফিসে যেতে বলেন। তিনি প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।
ফেনী জেলার এই হতদরিদ্র গরীব মুক্তিযুদ্ধার মতো আর কোন বাংলার বীর এমন কষ্টময় জীবন অতিবাহিত না করতে হয় এমনটাই ফেনীবাসীসহ পুরো বাংলাদেশের প্রায় ১৬কোটি মানুষের প্রত্যাশা।






